স্বাস্থ্য

সুগার কমাতে আম পাতার উপকারিতা

সুগার কমাতে আম পাতার উপকারিতা

ডায়াবেটিসের রোগীরা  কাঁচা আম দিয়ে টক ডাল  খেতে পারেন। কিন্তু পাকা আম থেকে একটু দূরত্ব বজায় রাখতে হয়। তবে, এমন একটি খাবার রয়েছে, যা এক নিমেষে কমিয়ে দিতে পারে রক্তে শর্করার মাত্রা। আম পাতায় ভিটামিন, মিনারেল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য উপকারী। এই পাতার মধ্যে ভিটামিন সি, ফাইবার ও প্যাকটিনের মতো যৌগ রয়েছে। আম পাতার মধ্যে থাকা এনজাইম অন্ত্রের কার্বোহাইড্রেট বিপাক হ্রাস করতে সাহায্য করে। আয়ুর্বেদেও রক্তে সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে আম পাতা। ডায়াবেটিসের পাশাপাশি আম পাতা কোলেস্টেরলের রোগীদের জন্যও উপকারী। রক্ত থেকে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে আম পাতা। কিন্তু অনেকের প্রশ্ন থাকে, সুগার, কোলেস্টেরল…
Read More
কি কি খাওয়ালে সন্তান হবে সুপারফিট?

কি কি খাওয়ালে সন্তান হবে সুপারফিট?

শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য উপযুক্ত পরিমাণে খাবার ও ক্যালোরি দরকার হয়, যাতে পুষ্টি থাকে একই সঙ্গে এনার্জিতে ভরপুর থাকে। খারাপ খাবার থেকে শুরু করে, খারাপ লাইফস্টাইল, বাড়তি মেদ বা ডায়াবেটিসের শিকার। জন্মের পর থেকে যখন একটি শিশু থাকা খাওয়া শুরু করে, বেশি পরিমাণে খারাপ, নোনতা এবং ফ্যাটে ভরপুর খাবার খাওয়া শুরু করে। তখন শরীরে ফ্যাটের মাত্রা বাড়তে থাকে। এবং তাদের স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে শুরু করে। মুখের স্বাদের জন্য তারা এসব খাবার বেশি খেতে চায় কিন্তু তারা জানেও না নিজেদের কত বড় ক্ষতি ডেকে আনছে। বাবা মায়ের উচিৎ সেই বিষয়ে খেয়াল রাখা। ন্যাশন্যাল লাইব্রেরি অফ মেডিসিন সূত্রে জানতে পারা…
Read More
ভিটামিন বি ১২-এর অভাবে কাশি ছাড়াও আর কি কি সমস্যা হতে পারে?

ভিটামিন বি ১২-এর অভাবে কাশি ছাড়াও আর কি কি সমস্যা হতে পারে?

হঠাৎ করেই শুরু হয়েছে কাশি? অ্যান্টিবায়োটিক থেকে আয়ুর্বেদিক ওষুধ খেয়েও কাশি কমছে না? এটা কেবল ঠান্ডা লাগার কাশি নাও হতে পারে। এর পিছনে মারাত্মক কারণ থাকতে পারে। ঠান্ডা লেগে কাশি হলে সাধারণত ওষুধ খেলে কয়েকদিন বা এক সপ্তাহের মধ্যে কমে যায়। কিছু সময় কয়েক সপ্তাহ বা মাস খানেক কাশি চলতে পারে। কিন্তু ওষুধ খেয়ে, গারগিল করে মাস পেরিয়ে যাওয়ার পরেও কাশি না কমলে চিন্তার বিষয়। চিকিৎসকদের মতে, কাশি হতে পারে অ্যালার্জির কারণে। অনেকেরই অ্যালার্জি রয়েছে ধুলোবালিতে। বায়ুতে দূষণের মাত্রা বেড়ে গেলে বা বেশি ধুলোবালির মধ্যে থাকলে কাশি শুরু হতে পারে। অ্যালার্জির কাশি হলে সাধারণত এক নাগাড়ে কাশি হয় না। মাঝেমধ্যে…
Read More
এই লক্ষণগুলি ‘সাইলেন্ট হার্ট অ্যাটাক’-র কারণ হতে পারে

এই লক্ষণগুলি ‘সাইলেন্ট হার্ট অ্যাটাক’-র কারণ হতে পারে

গত কয়েক বছর ধরে কমবয়সিদের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের ঘটনা বেড়েছে। এর পেছনের কারণ হলো অস্বাস্থ্যকর লাইফস্টাইল। তবে, অনেক সময় এমনও হয় হার্ট অ্যাটাক হয়ে গেল, অথচ আপনি টের পেলেন না। এমন অনেক হৃদরোগ রয়েছে, তা জানান দিয়ে আসে না। এমনই একটি রোগ হল ‘সাইলেন্ট হার্ট অ্যাটাক’। অনেক লক্ষণ রয়েছে হার্ট অ্যাটাকের। কিন্তু সেরকম কোনও লক্ষণ নেই ‘সাইলেন্ট হার্ট অ্যাটাক’-এর। একে মায়োকার্ডিয়াল ইনফ্রাকশন বলে। মায়োকার্ডিয়াল ইনফ্রাকশন, এই অবস্থায় হার্ট অক্সিজেন পায় না ঠিকমতো। এর জেরেই হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে এছাড়াও উচ্চ কোলেস্টেরল, ডায়াবেটিস, ওবেসিটি, উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যা থাকলেও আপনি সাইলেন্ট হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হতে পারেন। তবে, সাইলেন্ট হার্ট অ্যাটাকেরও বেশ কিছু…
Read More
আপনি ‘সাইলেন্ট হার্ট অ্যাটাক’-র শিকার নয়তো?

আপনি ‘সাইলেন্ট হার্ট অ্যাটাক’-র শিকার নয়তো?

আজকাল কম বয়সীদের মধ্যে ‘সাইলেন্ট হার্ট অ্যাটাক’-র ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে। এর জন্য দায়ী অতিরিক্ত মানসিক চিন্তা এবং শারীরিক পরিশ্রম। তবে এই রোগের সবচেয়ে বড় সমস্যা হল, এর শিকার হলেও আপনি টের পাবেন না। ধীরে ধীরে তা আপনাকে ধ্বংস করে দেবে নিয়ে যাবে মৃত্যুর পথে। তাই আপনিও সাইলেন্ট হার্ট অ্যাটাকের শিকার কিনা, বুঝে নিন। ১ অতিরিক্ত ক্লান্তি অনুভব করা, পর্যাপ্ত পরিমাণে বিশ্রাম নেওয়ার পরেও ক্লান্তি দূর না হওয়া।২ বুকে সারাক্ষণ চাপ চাপ অনুভব হওয়া।৩ শ্বাসকষ্ট জনিত রোগে ভোগা৪ রাতে সঠিক সময় ঘুম না আসা৫ ঘনঘন খিদে পাওয়া বা একেবারেই খিদে না পাওয়া।এই লক্ষণ গুলো দেখা গেলে চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।
Read More
রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে ওষুধের পাশাপাশি ভরসা রাখতে পারেন আয়ুর্বেদিক টোটকায়

রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে ওষুধের পাশাপাশি ভরসা রাখতে পারেন আয়ুর্বেদিক টোটকায়

ডায়াবেটিসের নাম শুনলেই বন্ধ করে দেন চিনি খাওয়া। তবে, আগে এই রোগ নিয়ে মানুষের মধ্যে যতটা ভয়ভীতি ছিল, এখন নেই বললেই চলে। সচেতনতা বেড়েছে। কিন্তু ডায়াবেটিসের রোগী এখন ঘরে ঘরে। আর সেখানেই আয়ুর্বেদিক টোটকা বেছে নিচ্ছেন। আয়ুর্বেদে এমন বেশ কিছু ভেষজ উপাদান ব্যবহার করা হয়, যা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এই ৫ ভেষজ খেতে পারেন আপনিও চাইলে। তুলসি পাতা: ছাদবাগানে রয়েছে তুলসি গাছ। সেখান থেকেই তুলে খেয়ে নিন ৫-৬টা পাতা। নিয়মিত তুলসি পাতার রস খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। তুলসি পাতা শারীরিক প্রদাহ কমানোর পাশাপাশি একাধিক রোগের ঝুঁকিও কমিয়ে দেয়। অর্জুন: আয়ুর্বেদে বিভিন্ন রোগের চিকিৎসায় ব্যবহার…
Read More
দেখুন মোটা হওয়ার সহজ টিপস

দেখুন মোটা হওয়ার সহজ টিপস

সমাজে শুধুমাত্র মোটা হলে নয়, অতিরিক্ত রোগা হলেও বডিসেমিংয়ের শিকার হতে হয়। নানান কটু কথা আমাদের শুনতে হয়। কিন্তু মোটা থেকে রোগা হওয়ার জন্য গুগল কিংবা ইউটিউবে এত রকমের টিপস বা টোটকা থাকলেও। মোটা হওয়ার জন্য সেরকম উপযুক্ত কোন টিপস দেখতে পাওয়া যায় না। আজ আপনাদের জন্য এই প্রতিবেদনে রইল এক বিশেষ টিপস। ১ রোজ সকালে এক গ্লাস করে দুধ পান করুন। দুধের পরিমাণে প্রোটিন কার্বোহাইড্রেট এবং প্যাড এই তিনটি উপাদানই পরিপূর্ণভাবে থাকে। দুধ খেলে আপনাদের ওজন খুব দ্রুত বৃদ্ধি পাবে। তবে সাধারন পাতে দুধ খাবার থেকে বেশি কার্যকরী হবে ক্রিম দুধ খাওয়া। যেকোনো বাজারে আপনারা একটি সহজেই পেয়ে যেতে…
Read More
প্রতিদিন সকালে কারিপাতা খেলে সুস্থ থাকবে শরীর

প্রতিদিন সকালে কারিপাতা খেলে সুস্থ থাকবে শরীর

হার্ট আমাদের দেহের অন্যতম জরুরি অঙ্গ। হার্ট সুস্থ রাখতে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি। হার্ট ব্লক হয়ে যেতে পারে কোলেস্টেরল বেশি হলে এবং জীবন ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে। রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে স্পাইসি খাবার খাওয়ার ব্যাপারে যেমন রাশ টানা জরুরি, তেমনই বিভিন্ন সাধারণ খাবার ও আয়ুর্বেদিক ওষুধের মাধ্যমে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। সাধারণত, ঘি, মাখন, চিজ-সহ বাদাম ও তেলজাতীয় খাবার বেশি খেলে রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যায়। তাই নির্দিষ্ট বয়সের পর এই সমস্ত খাবার খাওয়া নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে স্পাইসি খাবার খাওয়ার ব্যাপারে যেমন রাশ টানা জরুরি, তেমনই বিভিন্ন সাধারণ খাবার ও আয়ুর্বেদিক…
Read More
টক দইয়ের সাথে এই খাবারগুলি ভুলেও খাবেন না, খেলে হবে পেটের গোলমাল

টক দইয়ের সাথে এই খাবারগুলি ভুলেও খাবেন না, খেলে হবে পেটের গোলমাল

গরমে নিয়ম করে অনেকেই টক দই খাচ্ছেন। যদিও সারা বছর টক দই খাওয়া হয়। তবে গরমে বিরতি নেই। শেষপাতে টক দই না খেলে ঠিকমতো স্বস্তি পাওয়া যাচ্ছে না। শীত হোক বা গরম, টক দই নিয়ম করে খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করলে স্বাস্থ্য নিয়ে আর ভাবতে হয় না। গরমে রোজ দই খাচ্ছেন, ভাল কথা। কিন্তু কিছু খাবার রয়েছে, যেগুলি দইয়ের সঙ্গে না খাওয়াই শ্রেয়। তা হলে দইয়ের স্বাস্থ্যগুণ পাবে না শরীর। সেই সঙ্গে নানা শারীরিক সমস্যাও দেখা দিতে পারে। দুধ: দুধ এবং দই দু’টিতেই প্রোটিন, ফ্যাট রয়েছে। ফলে একসঙ্গে দুধ, দই খেলে অম্বল হতে পারে। সেই সঙ্গে বুক জ্বালা, পেটে অস্বস্তির মতো…
Read More
শীতের ফল হলেও শরীরকে সুস্থ রাখতে গরমেও নিয়ম করে খাবেন আমলকি

শীতের ফল হলেও শরীরকে সুস্থ রাখতে গরমেও নিয়ম করে খাবেন আমলকি

শীতকালীন রোগবালাই থেকে দূরে থাকতে অত্যন্ত ভরসাযোগ্য হলো আমলকি। তবে শুধু শীতকাল নয়, আমলকির উপকারীতা নাকি গরমেও সমান। চিকিৎসক এবং পুষ্টিবিদেরা তেমনটাই জানাচ্ছেন। গরমেও শারীরিক সমস্যার অন্ত নেই। একটার পর একটা লেগেই আছে। আমলকি খেলে বাড়তি কোনও সুফল পাওয়া যাবে কি? সংক্রমণের ঝুঁকি কমায়: প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে আমলকিতে। প্রতিরোধ শক্তি বাড়িয়ে তোলে এই ভিটামিন। সংক্রমণের সঙ্গে লড়াই করার শক্তি জোগায় শরীরে। এমনকি আমলকি যেকোনও অসুস্থতা থেকে দ্রুত সেরে উঠতে সাহায্য করে। হজমের গোলমাল কমে: গরমে হজমের গোলমাল লেগেই আছে। গ্যাস-অম্বলের সমস্যা এড়াতে আমলকি হতে পারে অন্যতম ভরসা। প্রচুর পরিমাণে ফাইবার আমলকিতে আছে। যা হজমশক্তি উন্নত করে। ফলে পেটের…
Read More