13
Jul
চিকিৎসার অভাবে দ্বিতীয় কোনও ‘শুভ্রজিৎ’-এর মৃত্যুও চায় না রাজ্য। রোগীর রেফার প্রশ্নে এবার আরও কঠোর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ উঠলেই কড়া দাওয়াই। শো-কজ, সাসপেন্ড। এমনকী ক্লিনিক্যাল এসট্যাবলিসমেন্ট আইন প্রয়োগ করে অভিযুক্ত হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের মতো কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পারে স্বাস্থ্য দপ্তর। সে ক্ষেত্রে পার পাবে না কেউই। সরকারি হাসপাতাল কিংবা বেসরকারি হাসপাতাল—সবার ক্ষেত্রেই একই নিয়ম। আবার বাছবিচার চলবে অসুখের ক্ষেত্রেও। কোভিড-পজিটিভই হোক বা স্ট্রোক কিংবা অন্য অসুখ। রোগীকে চিকিৎসা না করে রেফার করলেই জুটবে শাস্তি। খুব শীঘ্রই এ সংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ একটি ‘গাইড লাইন’ও প্রকাশ করতে চলেছে স্বাস্থ্য ভবন।শুক্রবার ইছাপুরের যুবক শুভ্রজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু হয় কলকাতা মেডিক্যাল হাসপাতালে। তার আগে তাকে…
