নেশার সামগ্রী মজুতের অভিযোগে গ্রেফতার এক যুবক

গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বাঁকুড়ার কেঠারডাঙ্গা এলাকায় এক রাতে বড়সড় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ কাফ সিরাপ ও নেশার ওষুধ উদ্ধার করল বাঁকুড়া সদর থানার পুলিশ। এই ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে অবৈধ নেশা সামগ্রী সরবরাহ চক্রের মূল পাণ্ডাকে। ধৃতকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে এই চক্রের শিকড় পর্যন্ত পৌঁছানোর চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।

ঘরের ভেতরের গোপন আস্তানায় তল্লাশিকয়েক দিন আগেই বাঁকুড়ার কেঠারডাঙ্গা এলাকার একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে প্রচুর পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার করেছিল পুলিশ। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও সেই একই এলাকা থেকে উদ্ধার হলো নেশার সামগ্রী। পুলিশ সূত্রে খবর, গতকাল রাতে বিশেষ সূত্রে খবর আসে যে কেঠারডাঙ্গা এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা জাকির ভুঁইয়ার বাড়িতে প্রচুর পরিমাণে নিষিদ্ধ ওষুধ ও সিরাপ মজুত রয়েছে। খবর পাওয়া মাত্রই বাঁকুড়া সদর থানার পুলিশ আটঘাট বেঁধে জাকিরের বাড়ি ঘিরে ফেলে তল্লাশি শুরু করে। তল্লাশি চালাতেই উদ্ধার হয় ২২ বোতল (প্রতিটি ১০০ মিলিগ্রাম) নিষিদ্ধ কাফ সিরাপ এবং ৩,৩৪০টি নেশার ট্যাবলেট।

জাকির ভুঁইয়া গ্রেফতার, নেপথ্যে বড় চক্র

অভিযানের পর বাড়ির মালিক জাকির ভুঁইয়াকে হাতেনাতে গ্রেফতার করে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, জাকির নিজের বাড়িতে এই বিপুল পরিমাণ নেশার দ্রব্যাদি মজুত রেখে সেখান থেকেই বাঁকুড়া শহরের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে দিত। ডিএসপি (আইনশৃঙ্খলা) অরুণাভ দাস জানান, ধৃতকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। শহরের কোথায় কোথায় এই নেশার সামগ্রী সরবরাহ করা হতো এবং এই আন্তর্জাতিক বা আন্তঃজেলা চক্রে আর কে বা কারা যুক্ত রয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে।