শুরু হবে প্রশিক্ষণ

মাঝে অপেক্ষা আর কয়েকটা দিনের, তারপরেই আসন্ন রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। চারদিকেই চলছে সাজ সাজ রব। তৎপর ভাবে কাজ করছে রাজনৈতিক দলগুলি। এই আবহে ভোট প্রক্রিয়াকে নির্বিঘ্ন করতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা থাকে পোলিং কর্মীদের। তাই সরকারি কর্মচারীদের জন্য ভোটের ডিউটির আগে ট্রেনিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এবার সেই সম্ভাব্য সময়সূচি ও পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে একটি স্পষ্ট ধারণা মিলেছে।

ভোটকেন্দ্রে প্রত্যেক কর্মীর আলাদা দায়িত্ব থাকে। সেই অনুযায়ী তাঁদের ট্রেনিংয়ের সংখ্যাও নির্ধারিত হয়। প্রিজাইডিং অফিসার এবং ফার্স্ট পোলিং অফিসার, এই দুই গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা কর্মীদের ওপর বুথের মূল দায়িত্ব থাকে। তাই তাঁদের মোট তিনটি ধাপে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। অন্যদিকে, সেকেন্ড ও থার্ড পোলিং অফিসারদের ক্ষেত্রে ট্রেনিংয়ের সংখ্যা কিছুটা কম, তাঁদের জন্য রাখা হয় দুটি সেশন।

শুধু তাত্ত্বিক জ্ঞান নয়, ভোটের কাজে সবচেয়ে জরুরি হল ইভিএম ও ভিভিপ্যাট সঠিকভাবে ব্যবহার করা। তাই প্রিজাইডিং ও ফার্স্ট পোলিং অফিসারদের জন্য বিশেষভাবে রাখা হয়েছে ‘হ্যান্ডস-অন’ ট্রেনিং। এই পর্বে কন্ট্রোল ইউনিট, ব্যালট ইউনিট চালানো থেকে শুরু করে বিভিন্ন ফর্ম পূরণের নিয়ম, সবকিছু হাতে-কলমে শেখানো হবে।