24
Dec
‘চোখের সামনে থেকে একে একে উধাও হয়ে গিয়েছে কাঠের পাটাতনগুলো। এবার একটা ঘরের একাংশ পুড়েও গেল।’ কথাগুলো বলার সময় কোথায় যেন আবেগবিহ্বল হয়ে পড়ছিলেন কবি সুভান দাস। বলছিলেন, ‘পঞ্চাশ বছরের বেশি সময় ধরে এই এলাকায় আমরা থাকছি। ব্রিটিশ আমলের ওই ঘরগুলোর কত গল্প দাদুদের কাছ থেকে শুনেছি। খারাপ লাগছে। ওই জায়গারই এখন এই পরিস্থিতি।’ শহর থেকে হারিয়ে গিয়েছে কাঠের ঘর। ডিআই ফান্ড মার্কেটের স্মৃতিবিজড়িত হাটুবাবুর ঘর ও হাট পরিচালনার ঘরটি একসময় সংরক্ষণের চিন্তাভাবনাও করেছিল বাম নিয়ন্ত্রাধীন পুরনিগম। যদিও পরবর্তীতে কোনও উদ্যোগ নজরে পড়েনি। রাতের অন্ধকারে ওই ঘর ভেঙে কাঠ চুরি অব্যাহত ছিল। এরমধ্যেই একটিতে শনিবার রাতে আগুন ধরে যাওয়ায় আরও…
