ডিজিটাল যোগাযোগ ও আর্থিক সচেতনতা বৃদ্ধির ফলে উত্তর-পূর্ব ভারতে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের প্রবণতা বাড়ছে। গ্রো-এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত ত্রিপুরার এনএসই(NSE) সক্রিয় বিনিয়োগকারী ভিত্তির ৩৭ শতাংশই গ্রো-এর মাধ্যমে বিনিয়োগ করেছেন। অর্থাৎ, রাজ্যের প্রতি তিনজন বিনিয়োগকারীর মধ্যে একজন এই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করেন।
স্মার্টফোনের ব্যবহার বৃদ্ধি, ইন্টারনেটের প্রসার এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আর্থিক পণ্যে সহজে প্রবেশাধিকার উত্তর-পূর্ব ভারতে ডিজিটাল বিনিয়োগের প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। আটটি উত্তর-পূর্ব রাজ্যে এনএসই(NSE)-এর মোট ৩৬.৩১ লক্ষ বিনিয়োগকারীর মধ্যে প্রায় ২৪ শতাংশ গ্রো-এর ব্যবহারকারী। এর মধ্যে সিকিমে গ্রো বিনিয়োগকারীর হার সর্বোচ্চ ৪১ শতাংশ, এরপর রয়েছে অরুণাচল প্রদেশ ৪০ শতাংশ।
ত্রিপুরায় গ্রো-এর প্রায় ২৮ শতাংশ বিনিয়োগকারীর বয়স ২৫ বছরের কম এবং ২৮ শতাংশের বয়স ২৫ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে। ৪৩ শতাংশ বিনিয়োগকারীর বয়স ৩০ বছরের বেশি। পাশাপাশি, রাজ্যে গ্রো-এর মোট বিনিয়োগকারীর প্রায় ১৭ শতাংশ মহিলা। এই পরিসংখ্যান থেকে নতুন ও অভিজ্ঞ—দুই ধরনের বিনিয়োগকারীর মধ্যেই ডিজিটাল বিনিয়োগের প্রসারের ইঙ্গিত মিলছে।
গ্রো মিউচুয়াল ফান্ড, শেয়ার, আইপিও, ট্রেডিং, কমোডিটি, মার্জিন ট্রেডিং ফ্যাসিলিটি (MTF), বন্ড এবং ওয়েলথ ম্যানেজমেন্ট-সহ বিভিন্ন বিনিয়োগ পরিষেবা দেয়। অভিজ্ঞ বিনিয়োগকারীদের জন্য অপশন চেন, চার্ট এবং টার্মিনাল-ভিত্তিক ট্রেডিংয়ের মতো উন্নত টুলও রয়েছে।
