দীর্ঘ পনেরো বছর বাদে রাজনীতি মঞ্চে এসেছে বদল, জোড়া ফুল-এর পরিবর্তে এসেছে পদ্ম ফুল। তৃণমূল সরকারকে সরিয়ে দুই তৃতীয়াংশ আসন নিয়ে ক্ষমতায় বিজেপি। এখন বর্তমানে রাজ্যে চলছে ডাবল ইঞ্জিনের সরকার। একসময় ভবানীপুর ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য রাজনৈতিক ঘাঁটি। নন্দীগ্রামে পরাজয়ের পর ২০২১ সালে এই কেন্দ্র থেকেই ঘুরে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি।
কিন্তু পাঁচ বছরের ব্যবধানে সেই চেনা ভবানীপুরেই বদলে গেল রাজনৈতিক অঙ্ক। সেই ভবানীপুর কেন্দ্রে মমতা হেরেছেন ১৫ হাজার ১০৫ ভোটে। ভবানীপুর বিধানসভা এলাকায় মোট ২৬৭টি বুথে ভোটগ্রহণ হয়েছিল। প্রতিটি বুথে ভোটারের সংখ্যা ছিল প্রায় ৪০০ থেকে ৭০০-এর মধ্যে।
নির্বাচন কমিশনের বুথভিত্তিক পরিসংখ্যান বলছে, বহু বুথে ১০০-এর গন্ডি পেরোতে পারেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যেমন ১১ নম্বর বুথে তৃণমূল প্রার্থীর ঝুলিতে যায় মাত্র ৭০ ভোট, সেখানে শুভেন্দু অধিকারী পান ১০৬ ভোট। ১৪ নম্বর বুথে মমতা পেয়েছেন ৪৩ ভোট। ১৬ নম্বর বুথে ৪২, ২০ নম্বরে ৪১, ২৪ নম্বরে ৪৫ এবং ৭৭ নম্বর বুথে মাত্র ৪০ ভোট পান তিনি। একইভাবে ৮৯ নম্বর বুথে তাঁর প্রাপ্ত ভোট ৪১ এবং ১০৫ নম্বর বুথে মাত্র ৩১। এছাড়াও ১৪৯ নম্বর বুথে মমতার ঝুলিতে আসে ৪৪ ভোট। ১৫৮ নম্বর বুথে ৪৬, ১৭৬ নম্বর বুথে ২৯, ২৪২ নম্বর বুথে ৪০, ২৪৯ নম্বরে ২৮ এবং ২৬৩ নম্বর বুথে মাত্র ৩০ ভোট পান তিনি। সব মিলিয়ে এমন ২৮টি বুথ রয়েছে, যেখানে মমতার প্রাপ্ত ভোট ৫০ বা তারও কম।
