বাস্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, বাড়ির সদস্যদের মধ্যে তুচ্ছ কারণে মনোমালিন্য বা আর্থিক বাধা মূলত নেতিবাচক শক্তির লক্ষণ। এই সমস্যা সমাধানে প্রতি দিন সন্ধ্যায় একটি মাটির পাত্র বা ধুনুচিতে কর্পূরের সঙ্গে ৫-৭টি ফুল-সহ লবঙ্গ জ্বালিয়ে সেই ধোঁয়া গোটা বাড়িতে ছড়িয়ে দিলে পরিবেশ শুদ্ধ হয়। লবঙ্গের এই সুগন্ধি ধোঁয়া ঘরের অন্ধকার কোণে জমে থাকা নেতিবাচক শক্তি বা নজরদোষের প্রভাব দূর করতে সহায়ক।
বিশেষ করে আর্থিক বাধা কাটাতে প্রতি শুক্রবার রাতে পিতলের পাত্রে ৫টি লবঙ্গ ও ৩টি এলাচ জ্বালিয়ে ঘরে ধোঁয়া দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে উন্নতি ফেরাতে ১১টি লবঙ্গ, কর্পূর ও হলুদ সর্ষে একসঙ্গে পোড়ালে পজিটিভ শক্তি বৃদ্ধি পায়। বাস্তুদোষ রয়েছে এমন স্থান যেমন—শৌচাগারের চারপাশ বা অন্ধকার কোণে এই ধোঁয়া দিলে শক্তির ভারসাম্য ফিরে আসে। লবঙ্গের সঙ্গে সামান্য গুগ্গুল যোগ করলে তা মানসিক চাপ ও বিষণ্ণতা কমাতেও বিশেষ ভূমিকা রাখে।
মাসে অন্তত একবার এই সাধারণ অথচ কার্যকরী প্রতিকারটি পালনের মাধ্যমে পরিবারে প্রশান্তি এবং সমৃদ্ধি ফিরিয়ে আনা সম্ভব বলে মনে করেন বাস্তুবিদরা। ঘরোয়া এই টোটকা একদিকে যেমন পরিবেশ বিশুদ্ধ করে, অন্যদিকে ফিরিয়ে আনে হারানো মানসিক শান্তি।
ঘরবাড়ি ঝকঝকে তকতকে হলেও অনেক সময় অশুভ বা নেতিবাচক শক্তির প্রভাবে সংসারে অশান্তি, আর্থিক অনটন কিংবা মানসিক অবসাদ গ্রাস করে। বাস্তুশাস্ত্র মতে, এই ধরনের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে রান্নাঘরের একটি সাধারণ মশলাই হতে পারে মহৌষধ। লবঙ্গ কেবল খাবারের স্বাদ বাড়ায় না, এর ধোঁয়া নেতিবাচক শক্তি দূর করতে অত্যন্ত শক্তিশালী এক উপাদান হিসেবে পরিচিত।
