ফুলেশ্বরীর রেলগেট বন্ধ নিয়ে সরব অশোক ভট্টাচার্য, সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি

ফুলেশ্বরী সংলগ্ন ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের রেলগেট বন্ধ করা নিয়ে সরব হলেন শিলিগুড়ির প্রাক্তন মেয়র তথা বিধায়ক ও মন্ত্রী অশোক ভট্টাচার্য। শুক্রবার শিলিগুড়ি জার্নালিস্ট ক্লাবে সাংবাদিক বৈঠক করে রেলের বিরুদ্ধে নিয়ম না মেনে গভীর রাতে রেলগেট বন্ধ করার অভিযোগ তোলেন তিনি। এই বিষয়ে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের জেনারেল ম্যানেজার, ডিআরএম কাটিহার এবং জেলাশাসককে চিঠি দেওয়ার কথা জানান তিনি। অশোক ভট্টাচার্যের অভিযোগ, রেলগেট বন্ধ করার আগে প্রয়োজনীয় নির্দেশিকা মানা হয়নি। তাঁর দাবি, রেলগেট বন্ধের আগে সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, জনসাধারণকে নোটিশ দেওয়া, ৩০ দিনের সময়সীমা নির্ধারণ এবং সাধারণ মানুষের মতামত ও আপত্তি গ্রহণের মতো প্রক্রিয়া অনুসরণ করা প্রয়োজন। পাশাপাশি রাজ্য সরকার, জেলাশাসক ও পুরনিগমের মতামত নেওয়ার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ বলে দাবি করেন তিনি।

তাঁর আরও বক্তব্য, কোনও রেলগেট বন্ধ করার আগে বিকল্প রাস্তা, সাবওয়ে, আন্ডারপাস বা ফ্লাইওভারের ব্যবস্থা সম্পূর্ণ করতে হয়। এরপর প্রয়োজনীয় সুরক্ষা সংক্রান্ত ছাড়পত্র নিয়েই রেলগেট বন্ধ করা উচিত। কিন্তু ফুলেশ্বরীর ক্ষেত্রে সেই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। অশোক ভট্টাচার্য জানান, প্রায় ২০ বছর আগে তাঁর SJDA-র চেয়ারম্যান থাকাকালীন সংস্থার নিজস্ব অর্থে ওই আন্ডারপাস তৈরি করা হয়েছিল। তাঁর দাবি, বিকল্প রাস্তা তৈরির জন্য রেলকে ৭৫ লক্ষ টাকাও দেওয়া হয়েছিল। তা সত্ত্বেও রেলগেট বন্ধ করে দেওয়ায় সাধারণ মানুষকে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। সামনে দুর্গাপুজো, ফলে যান চলাচল ও জনসাধারণের দুর্ভোগ আরও বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

অবিলম্বে রেলগেট বন্ধের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে ব্যারিকেড সরিয়ে পুনরায় রেলগেট চালু করার দাবি জানান অশোক ভট্টাচার্য। তাঁর হুঁশিয়ারি, দ্রুত রেলগেট চালু করা না হলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামা হবে।