১১ই জানুয়ারি থেকে নতুন নিয়মে চলবে টয়ট্রেনের স্পেশাল জয়রাইড

বছরের শুরুতেই ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ দার্জিলিং হিমালয়ান টয়ট্রেনে লাগলো বেসরকারিকরণের ছোঁয়া।বেসরকারি সংস্থার হাত ধরে নতুন নিয়মে চালু হচ্ছে টয়ট্রেনের স্পেশাল জয়রাইড ‘জঙ্গল সাফারি’। জানা গেছে, শিলিগুড়ি জংশন থেকে তিনধারিয়া পর্যন্ত গিয়ে আবার জংশন ফেরত আসা এই ট্রেনে থাকবে প্রাতরাশ, মধ্যাহ্নভোজন এবং বিকেলের জলখাবারের ব্যবস্থা। স্থানীয় সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচয় করানো হবে পর্যটকদের। ১১ই জানুয়ারি থেকে প্রত্যেক শনি ও রবিবার পাহাড়ি পথে ছুটবে দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ের জয়রাইড। উদ্বোধনে হাজির থাকবেন উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার কীরেন্দ্র নারাহ, ডিএইচআর-এর ডিরেক্টর ঋষভ চৌধুরী।

রেলের বেসরকারিকরণ নিয়ে দেশজুড়ে উঠেছে আওয়াজ আর এরই মাঝে টয়ট্রেনকে কেন বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে, সেই নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। করোনার আগে টয়ট্রেনে শিলিগুড়ি থেকে রংটং জঙ্গল সাফারি শুরু করেছিল ডিএইচআর। ডাইনিং কোচ দিয়ে শুরু হয়েছিল যাত্রা। বিকেলে জয়রাইডের যাত্রীদের চায়ে আপ্যায়ন করত রেল দপ্তর। কিন্তু মাসখানেকের মধ্যেই সেই পরিষেবা বন্ধ হয়ে যায়। এরপর থেকে জঙ্গল সাফারি আর শুরু করতে পারেনি রেল। সম্প্রতি একটি বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে চুক্তি হয়েছে ডিএইচআর-এর। সেই চুক্তি অনুযায়ী পিপিপি মডেলে নতুন করে জঙ্গল সাফারি পরিষেবা শুরু হবে। শিলিগুড়ি জংশন থেকে তিনধারিয়া গিয়ে ফের জংশনে ফিরবে টয়ট্রেন। ইঞ্জিনের সঙ্গে তিনটি কামরা থাকবে। প্রথম দুটি কামরা বেসরকারি সংস্থা পিপিপি মডেলে চালাবে। একটি কামরা সরাসরি রেলের অধীনে থাকবে। যে দুটি কামরা বেসরকারি হাতে থাকবে তার ভাড়া হবে মাথাপ্রতি ২১৯৯ টাকা। এই টাকায় ট্রেনের ভাড়ার পাশাপাশি প্রাতরাশ, মধ্যাহ্নভোজন এবং বিকেলের জলখাবারের ব্যবস্থা থাকবে। বিকেলে চায়ের সঙ্গে স্থানীয় মোমো দেওয়া হবে যাত্রীদের।