হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে রয়েছেন সঙ্গীতশিল্পী দেবলীনা নন্দী। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি ছড়িয়ে পড়তেই তোলপাড় শুরু হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ফেসবুক লাইভ করেন গায়িকা, নাহ.. কোনও প্রচারের কারণে না, গানের জন্যও না। নিজের কাজ ও ব্যক্তিগত জীবনের কিছু সমস্যার কথা অনুরাগীদের জানাতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি লাইভ করেন দেবলীনা। সেখানে তিনি প্রথমে শেয়ার করে নেন যে, কাজের জীবনে তিনি কী কী সমস্যায় ভুগছেন। এরপরে তিনি তাঁর বিবাহিত জীবনের বেশ কিছু সমস্যার কথা ভাগ করে নেন। আর নেটিজেনরা অবাক এখানেই। স্বামী প্রবাহ নন্দীর সঙ্গে দেবলীনার সম্পর্কে যে সমস্যা থাকতে পারে, সেই কথা কল্পনাও করেননি অনুরাগীরা। কিন্তু সেই সমস্যার জেরেই কি আত্মহত্যার পথ বেছে নিলেন দেবলীনা?
তিনি অনেকদিন ধরেই মনে করছেন, তিনি নিজের একটি ব্যান্ড তৈরি করবেন। কিন্তু সেটা তিনি পারছেন না ও বিভিন্ন দিক থেকে, বিভিন্নভাবে বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছেন। তাঁকে নাকি হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে যে, নিজের ব্যান্ড তৈরি করলে তাঁর নাকি কাজ চলে যাবে। তবে এরপরে, আরও একটি সমস্যার কথা তুলে ধরেন দেবলীনা। বিস্তারিতভাবে তিনি জানান, তাঁর শ্বশুরবাড়ি ও বিবাহিত জীবনে ভীষণ সমস্যায় জড়িয়ে পরেছেন তিনি। বিয়ের পর থেকে, তিনি চিরকালই চেষ্টা করে এসেছেন ২ বাড়ির মানুষকেই সমান প্রাধান্য দিয়ে চলতে। কিন্তু তাঁকে শ্বশুরবাড়ির তরফ থেকে বারে বারে বলা হচ্ছে, মায়ের সঙ্গে যাবতীয় সম্পর্ক ছেদ করে দিতে। তাঁর মা-ই তাঁর জীবনে অশান্তির মূল কারণ এবং মা-কে ছাড়া তিনি ভাল থাকবেন, এই কথা শ্বশুরবাড়ি থেকে বুঝিয়ে দেওয়া হচ্ছে বারে বারে।
দেবলীনা আরও জানান, তাঁর মা তথাকথিত সুন্দরী ও শিক্ষিতা নন বলেই বারে বারে তাঁর মায়ের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে। সঙ্গীতশিল্পী তুলে ধরেন, কীভাবে তাঁর মা কঠিন সময়ে তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন। দেবলীনা আজ কেরিয়ারের যে জায়গায় দাঁড়িয়ে রয়েছেন, তার সবটাই যে তাঁর মায়ের জন্য, সেটাও জানান তিনি। এই পরিস্থিতিতে স্বামী-সংসার আর মায়ের মধ্যে যে কোনও একটা বিষয়টা বেছে নেওয়া তার পক্ষে অসম্ভব বলেও জানান দেবলীনা। তিনি জানান, সিঁদুর পরার পর থেকে তাঁর জীবন বদলে গিয়েছে।
