ত্রিপুরাসুন্দরী মন্দিরের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

৫১ পীঠের অন্যতম শক্তিপীঠ ত্রিপুরাসুন্দরী মন্দিরের উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে রাজ্যবাসীর পক্ষ থেকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা। আজ এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী সহ অন্যান্য অতিথিগণ উপস্থিত ছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী আজকের দিনটিকে রাজ্যের ইতিহাসে একটি মাইলফলক বলে অভিমত ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি ত্রিপুরাসুন্দরী মন্দিরকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরার ফলে রাজ্যে দেশ বিদেশের পর্যটকের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে বলেও মুখ্যমন্ত্রী আশা ব্যক্ত করেন। ব্যস্ততার মধ্যেও দেশের প্রধানমন্ত্রীর আগমন রাজ্যের জনগণের প্রতি তাঁর আন্তরিকতা, আস্থা ও বিশ্বাস প্রতিফলিত হয়েছে বলে মুখ্যমন্ত্রী অভিমত ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় সরকারের প্রসাদ প্রকল্পে ত্রিপুরাসুন্দরী মন্দিরের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের জন্য ৩৬.৪৩ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়। এছাড়াও রাজ্য সরকার থেকে ১৭.৬১ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আজ মাতা ত্রিপুরাসুন্দরী মন্দির কমপ্লেক্সের উন্নয়নমূলক কাজের উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী মায়ের মন্দিরে দেশবাসীর কল্যাণে পূজা অর্চনা করেন। এরপর ত্রিপুরাসুন্দরী মন্দিরের ইতিহাস সম্বলিত প্রদর্শনীটি প্রধানমন্ত্রী ঘুরে দেখেন। কেন্দ্রীয় সরকারের প্রসাদ প্রকল্পে উন্নয়নের মাধ্যমে ত্রিপুরাসুন্দরী মন্দিরকে নতুন রূপে সাজানো হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এছাড়া উপস্থিত ছিলেন রাজ্যপাল ইন্দ্রসেনা রেড্ডি নাল্লু, মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা, সাংসদ বিপ্লব কুমার দেব, সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্য সহ রাজ্য মন্ত্রিসভার অন্যান্য সদস্যগণ।

এদিন দুপুরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক বিশেষ বিমানে আগরতলার মহারাজা বীরবিক্রম বিমানবন্দরে পদার্পণ করেন। সেখানে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান আগরতলা পুরনিগমের মেয়র তথা বিধায়ক দীপক মজুমদার, মুখ্যসচিব জে. কে. সিনহা, পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার জেলাশাসক ডা. বিশাল কুমার, রাজ্য পুলিশের মহানির্দেশক অনুরাগ প্রমুখ। প্রধানমন্ত্রী সেখান থেকে হেলিকপ্টারে পালাটানা হেলিপ্যাডে পৌঁছান। সেখানে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান রাজ্যপাল ইন্দ্রসেনা রেড্ডি নাল্লু, মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা প্রমুখ। পালাটানা হেলিপ্যাড থেকে মাতাবাড়ি পর্যন্ত রাস্তার বিভিন্ন জায়গায় প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে সাংস্কৃতিক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। তাছাড়া রাস্তার দু’পাশে হাজার হাজার মানুষ উপস্থিত হয়ে প্রধামন্ত্রীকে স্বাগত জানান।