এই দুর্গাপূজায় সিপলা তাদের পথপ্রদর্শক রোগী সচেতনতামূলক প্রচার অভিযান- ‘বেরোক জিন্দেগি’ কলকাতার উৎসবের কেন্দ্রস্থলে নিয়ে এসেছিল। মণ্ডপ দর্শনার্থীদের কাছে ‘অ্যাজমা কে লিয়ে #InhalersHainSahi’’ বার্তাটি পৌঁছে দিতে এই প্রচার অভিযানে গত ১৪ থেকে ২০শে অক্টোবর সন্তোষ মিত্র স্কয়ার, শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাব এবং শিবমন্দির সার্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতিতে বিশালাকার ইনহেলারের প্রতিকৃতি প্রদর্শন করা হয়।
এই উদ্যোগটি এমন এক সময়ে নেওয়া হয় যখন কলকাতায় হাঁপানি অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ন্যাশনাল অ্যালার্জি অ্যাজমা ব্রঙ্কাইটিস ইনস্টিটিউট (NAABI)-এর একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, কলকাতায় সমীক্ষা চালানো ১৩ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে ৩.৩ শতাংশের তীব্র হাঁপানি রয়েছে- যা দিল্লি সহ সমীক্ষা চালানো ভারতের নয়টি শহরের মধ্যে সর্বোচ্চ।
শহরের উৎসব ও সাংস্কৃতিক আবহে অ্যাজমা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে প্যান্ডেলে প্রবেশের এক অভিনব ইনস্টলেশন তৈরি করা হয়েছিল, যেখানে দর্শনার্থীরা একটি বিশাল আকারের ইনহেলারের ভেতর দিয়ে হেঁটে যান। শুধু সচেতনতা বৃদ্ধিই নয়, সিপলা – র রোগী সহায়তা উদ্যোগ ‘ Breathefree এর মাধ্যমে দর্শনার্থীরা ইনস্টলেশনে থাকা QR কোড স্ক্যান করে বিনামূল্যে ” Swaasa টুলের সাহায্যে নিজেদের ফুসফুসের ডিজিটাল পরীক্ষা করেন এবং ফুসফুসের হেলথ স্কোর জানতে পারেন। যা সাধারণ মানুষকে তাদের শ্বাসযন্ত্রের স্বাস্থ্য সম্পর্কে আরও বেশি যত্নশীল হতে উৎসাহিত করেখে।
সিপলা’র বেরোক জিন্দেগি: হাঁপানি সচেতনতাকে শহরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সাথে যুক্ত করার এক অনন্য প্রয়াস
