ভীম (BHIM) পেমেন্টস অ্যাপের ‘মিঠি দিওয়ালি’ প্রচারাভিযানে গুঞ্জের (Goonj) সঙ্গে অংশীদারিত্ব

ভারতের নিজস্ব পেমেন্ট অ্যাপ, ভীম পেমেন্টস অ্যাপ, যা এনপিসিআই ভীম-এর তৈরি, তাদের ‘মিঠি দিওয়ালি’ প্রচারাভিযানের তৃতীয় সংস্করণের মাধ্যমে উৎসবের আনন্দের আলো ছড়িয়ে দিচ্ছে। ১৯ অক্টোবর থেকে ৮ নভেম্বরের মধ্যে অ্যাপটিতে কোনও ব্যবহারকারীর করা প্রতি ৭ম লেনদেনের জন্য, ভীম পেমেন্টস অ্যাপ পড়াশোনার জন্য সহায়তা প্রয়োজন এমন শিশুদের স্কুল কিট প্রদানে সহায়তা করবে।

এই প্রচারাভিযানের জন্য, ভীম পেমেন্টস অ্যাপ ‘গুঞ্জ’-এর সঙ্গে অংশীদারিত্ব করেছে। গুঞ্জ একটি নাগরিক ও উন্নয়নমূলক সংস্থা, যা শিক্ষা, সমাজের উন্নয়ন এবং দুর্যোগ মোকাবিলার ক্ষেত্রে সারা ভারতে দীর্ঘদিন ধরে মর্যাদাকেন্দ্রিক বিভিন্ন উদ্যোগের জন্য পরিচিত। এই প্রচারাভিযানের মাধ্যমে গ্রাহকদের দৈনন্দিন লেনদেনের জন্য ভীম পেমেন্টস অ্যাপ বেছে নিতে উৎসাহিত করা হচ্ছে, যাতে আরও বেশি শিশুর কাছে পড়াশোনার প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার সম্মিলিত উদ্যোগে তাঁরা অংশ নিতে পারেন। এই উদ্যোগ সম্পর্কে এনপিসিআই ভীম এর চিফ অফ বিজনেস, গৌরব কোচর, বলেন, “গুঞ্জের সঙ্গে আমাদের অংশীদারিত্ব এই বিশ্বাসকে বাস্তবে রূপ দিচ্ছে। ভীম পেমেন্টস অ্যাপে দৈনন্দিন লেনদেনের মাধ্যমে শিশুদের পড়াশোনার প্রয়োজনীয় সামগ্রী দেওয়ার সুযোগ তৈরি হচ্ছে। ‘ভারত কা অপনা পেমেন্টস অ্যাপ’ হিসেবে আমরা বিশ্বাস করি, প্রযুক্তি যখন মানুষের কথা মাথায় রেখে তৈরি হয়, তখন ছোট ছোট পদক্ষেপও অর্থবহ পরিবর্তন আনতে পারে।”

দীপাবলির আনন্দ নিহিত রয়েছে একসঙ্গে কাটানো মুহূর্তে, নতুন শুরুর প্রতিশ্রুতিতে এবং নিজেদের গণ্ডির বাইরে গিয়ে উদযাপনের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া খুশিতে। এ বছর ভীম পেমেন্টস অ্যাপ সেই উষ্ণতা পৌঁছে দিচ্ছে শ্রেণিকক্ষেও, যেখানে একটি সাধারণ স্কুল কিটের মতো সামগ্রীও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জীবনে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনতে পারে। এই উদ্যোগ দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে ডিজিটাল পেমেন্টকে প্রতিষ্ঠিত করার পাশাপাশি অর্থবহ পরিবর্তন আনার সুযোগ তৈরি করার প্রতি ভীম পেমেন্টস অ্যাপের অঙ্গীকারকে তুলে ধরে। একই সঙ্গে, ‘ভারত কা অপনা পেমেন্টস অ্যাপ’-এর মূল ভাবনাকেও আরও দৃঢ় করে—একটি সহজ, পরিচিত কাজও বৃহত্তর উদ্যোগে অবদান রাখতে পারে, যার মাধ্যমে দীপাবলির আনন্দ আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে যায়।

গুঞ্জের প্রতিষ্ঠাতা ও এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর অনশু গুপ্তা বলেন, “ভীম পেমেন্টস অ্যাপের সঙ্গে আমাদের এই অংশীদারিত্ব দৈনন্দিন প্রযুক্তির ব্যাপক প্রসারকে সচেতন নাগরিকদের অংশগ্রহণের সঙ্গে যুক্ত করার ক্ষেত্রে একটি অর্থবহ পদক্ষেপ। দৈনন্দিন লেনদেনকে বাস্তব সহায়তায় রূপান্তরিত করার জন্য ভীম পেমেন্টস অ্যাপের এই উদ্যোগকে আমরা সাধুবাদ জানাই। এর ফলে শিশুরা মর্যাদার সঙ্গে পড়াশোনার প্রয়োজনীয় সামগ্রী পেতে পারবে।”

সোচিয়ার্সের কো-ফাউন্ডার ও সিইও মেহুল গুপ্তা বলেন, “অন্য কারও সঙ্গে উৎসবের আনন্দের কিছুটা ভাগ করে না নিলে উদযাপন যেন কখনও সম্পূর্ণ হয় না—এই ভাবনাটির মধ্যে এক বিশেষ ভারতীয় সত্তা রয়েছে। #MeethiDiwali-র মাধ্যমে আমরা নিজেদের কাছে দুটি সহজ প্রশ্ন রেখেছিলাম: কীভাবে উৎসবের মরশুম পেরিয়েও দান ও ভাগ করে নেওয়ার এই মানসিকতাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় এবং কীভাবে ডিজিটাল লেনদেনের মতো একটি সাধারণ কাজ কারও জীবনে পরিবর্তন আনতে পারে? এমন এক পৃথিবীতে, যেখানে আমাদের জীবনের অনেকটাই এখন মুঠোফোনে আবর্তিত হয়, সেখানে আমরা দৈনন্দিন একটি অভ্যাসকে শুধু কেনাকাটার মধ্যেই সীমাবদ্ধ না রেখে তার মাধ্যমে আরও বৃহত্তর উদ্দেশ্য পূরণের একটি সুযোগ দেখতে পেয়েছি।”

‘মিঠি দিওয়ালি’ ২০২৬’-এর মাধ্যমে, ভীম পেমেন্টস অ্যাপ ডিজিটাল পেমেন্টকে এমন একটি মহৎ উদ্দেশ্যের সঙ্গে যুক্ত করে তাদের বার্ষিক উৎসবকালীন উদ্যোগ অব্যাহত রেখেছে, যা উৎসবের মরশুম পেরিয়েও মানুষের পাশে থাকার বার্তা বহন করে।