ত্রিপুরায় সাক্ষরতা শিবিরের মাধ্যমে বাজাজ ফাইন্যান্স আর্থিক অন্তর্ভুক্তির প্রচেষ্টা জোরদার করেছে

ভারতের বৃহত্তম বেসরকারি এনবিএফসি এবং বাজাজ ফিনসার্ভ-এর অংশ বাজাজ ফাইন্যান্স  ত্রিপুরায় আজ তাদের আর্থিক সাক্ষরতা কার্যক্রম অর্থসূত্র সংবাদ শুরু করেছে। আরবিআই-এর উদ্যোগে পরিচালিত এই সর্বভারতীয় কর্মসূচির লক্ষ্য হল ভারতের গ্রামীণ এবং ব্যাঙ্কিং পরিষেবার ঘাটতি থাকা অঞ্চলগুলিতে আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকরণকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হল আর্থিক শৃঙ্খলা রক্ষা, অনলাইন জালিয়াতি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো এবং অর্থ ব্যবস্থাপনার সর্বোত্তম অনুশীলন সম্পর্কে নাগরিকদের শিক্ষিত করা। এদিন আগরতলা প্রেস ক্লাব এবং মধ্য চম্পামুরা গ্রাম পঞ্চায়েত ভবনে প্রায় ১০০ জন স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্য অংশগ্রহণ করেন। জরুরি অবস্থার জন্য সঞ্চয়, দায়িত্বশীলভাবে ঋণ নেওয়া, এবং সাধারণ জালিয়াতি এড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়। শ্ৰী নির্দেশ দেব, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সাইবার ক্রাইম, ত্রিপুরা পুলিশ, ডিজিটাল জগতে সতর্ক থাকার উপর জোর দেন এবং পরামর্শ দেন, “অজানা অ্যাপ ডাউনলোড বা অচেনা যোগাযোগের মাধ্যমে আসা লিঙ্কে ক্লিক করবেন না। কোনও অবস্থাতেই ওটিপি কারও সঙ্গে শেয়ার করবেন না।“ যেকোনও সাইবার জালিয়াতির জন্য দ্রুত টোল-ফ্রি নম্বর ১৯৩০-তে ডায়াল করার পরামর্শ দেন।

আগরতলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি শ্ৰী প্রণব সরকার মানুষকে আর্থিক প্রতিষ্ঠানে তাদের কষ্টার্জিত অর্থ বিনিয়োগ করার সময় সতর্ক থাকতে এবং প্রতিষ্ঠানের বিশ্বাসযোগ্যতা যাচাই করতে অনুরোধ করেন। টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটির অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডঃ প্রিয়াঙ্কা ভৌমিক আর্থিক শৃঙ্খলার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দিয়ে বলেন, “আসল নিয়ম হল উপার্জনের চেয়ে বেশি খরচ না করা। কখন এবং কী উদ্দেশ্যে ঋণ নিতে হবে তা বোঝা দরকার।“

বাজাজ ফাইন্যান্স-এর এই উদ্যোগের মাধ্যমে সহজ আর্থিক জ্ঞান দিয়ে মানুষকে সচেতন করার এবং আর্থিকভাবে সচেতন একটি ভবিষ্যৎ-প্রস্তুত নাগরিক সমাজ গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে। আগামী দিনে ত্রিপুরার বিভিন্ন গ্রামে সচেতনতা শিবির আয়োজিত হবে।