আত্মীয়ের হাতেই লুট অসুস্থ কিশোরীর চিকিৎসার টাকা

জলপাইগুড়ির লাবণী দাস নামের এক ১৬ বছর বয়সী কিশোরী তিন বছর আগে সাইকেল থেকে পড়ে কোমরে গুরুতর আঘাত পায়। বহু চিকিৎসাতেও সুস্থ না হওয়ায় পরিবার সিদ্ধান্ত নেয় তাকে বেঙ্গালুরুর নিমহ্যান্স হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাবে।

লাবণীর বাবা না থাকায়, তার মা লক্ষ্মী দাস-এর পক্ষে ব্যয়বহুল চিকিৎসার খরচ বহন করা অসম্ভব ছিল। তখন প্রতিবেশীরা মানবিকতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে দেড় লক্ষ টাকা চাঁদা তুলে দেন।

প্রায় তিন মাস আগে লাবণীকে চিকিৎসার জন্য আত্মীয় সঞ্জয় দত্ত-এর হাতে দেড় লক্ষ টাকা দিয়ে বেঙ্গালুরু পাঠানো হয়। কিন্তু সাত দিন পর ফিরে আসার পর লক্ষ্মী দেবী জানতে পারেন, নিমহ্যান্সের বদলে লাবণীকে বেঙ্গালুরুর একটি সাধারণ সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল এবং সেখানে মাত্র ১৪ হাজার টাকা খরচ হয়েছে।

লক্ষ্মী দাসের অভিযোগ, বাকি টাকা সঞ্জয় দত্ত আত্মসাৎ করেছেন এবং তা ফেরত না দিয়ে উধাও হয়ে গেছেন। এই প্রতারণায় দিশেহারা হয়ে লাবণীর মা কোতয়ালি থানায় সঞ্জয় দত্তের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ কর্মকর্তা সঞ্জয় দত্ত জানিয়েছেন, অভিযোগটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে। এই ঘটনায় প্রতিবেশীরাও ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন।