তা বিগত বেশ কিছু বছর ধরে বিভিন্ন সময় একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে তোলপাড় হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। যতদিন এগিয়ে চলেছে ততই প্রকাশ্যে এসেছে একের পর এক তথ্য, নাম জড়িয়েছে একাধিকের। এই পরিস্থিতিতেই প্রকাশ্যে এসেছে এমপি দিব্যেন্দু অধিকারী, মোট ১১ জনের নাম সুপারিশ করেছিলেন তাদের মধ্যে চাকরি পেয়েছেন পাঁচজন।
এমপি মমতা বালা ঠাকুর মোট কুড়িজনের নাম সুপারিশ করেছিলেন তাদের মধ্যে থেকে দুজন চাকরি পেয়েছেন। তৎকালীন এসপি বলে পরিচিত ভারতী ঘোষ মোট ৪ জনের নাম সুপারিশ করেছিলেন। তাঁদের তাদের মধ্যে তিনজন চাকরি পেয়েছেন।
শওকত মোল্লা দুজনের নাম সুপারিশ করেছিলেন তারা কেউ চাকরি পাননি। বীনা মণ্ডল এমএলএ ১৩ জনের নাম সুপারিশ করেছিলেন ৬ জন চাকরি পেয়েছেন। এই তালিকায় রয়েছেন এমএলএ নির্মল ঘোষ। তিনি মোট ১৬ জনের নাম সুপারিশ করেছিলেন। তাদের মধ্যে ৬ জন চাকরি পেয়েছেন। শ্যামল সাঁতরা এমএলএ,২২ জনের নাম সুপারিশ করেছিলেন তার মধ্যে তিনজন চাকরি পেয়েছেন।
রথীন্দ্রনাথ বিশ্বাস এমেলএ পাঁচজনের নাম সুপারিশ করেছিলেন তাদের মধ্যে একজন চাকরি পেয়েছেন। গুলশান মল্লিক এমএলএ দশজনের চাকরি সুপারিশ করেছিলেন তাদের মধ্যে চারজন চাকরি পেয়েছেন। মিহির গোস্বামী মেম্বার একজনের নাম সুপারিশ করেছিলেন তিনিও চাকরি পেয়েছেন।