মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা এবং আন্তর্জাতিক জলসীমায় বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর ক্রমাগত আক্রমণের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে (UNSC) পেশ করা নিন্দা প্রস্তাবের পক্ষে সমর্থন জানালো ভারত। গত কয়েক মাস ধরে ওমান উপসাগর, লোহিত সাগর এবং আরব সাগরের বিস্তীর্ণ এলাকায় ড্রোনের মাধ্যমে যেভাবে একের পর এক তেলের ট্যাংকার ও বাণিজ্যিক জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে, তার কঠোর সমালোচনা করেছে নয়াদিল্লি। ভারতের প্রতিনিধি নিরাপত্তা পরিষদের অধিবেশনে স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন যে, আন্তর্জাতিক নৌ-চলাচলের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করা কেবল আঞ্চলিক অস্থিরতা নয়, বরং এটি বিশ্ব অর্থনীতির ওপর সরাসরি আঘাত। বিশেষ করে সম্প্রতি ভারতীয় পতাকাবাহী এবং ভারতমুখী কয়েকটি জাহাজে ড্রোন হামলার ঘটনায় দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা এবং জ্বালানি নিরাপত্তার ওপর বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে ভারত বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়ে এই ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সম্মিলিত পদক্ষেপের ডাক দিয়েছে।
জাতিসংঘে ভারতের পক্ষ থেকে দেওয়া বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ভারত বরাবরই আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন (UNCLOS) মেনে চলা এবং সমুদ্রপথে অবাধ ও নিরাপদ যাতায়াতের পক্ষে কাজ করে আসছে। লোহিত সাগর থেকে শুরু করে হরমুজ প্রণালী পর্যন্ত যে অস্থিরতা চলছে, তাতে ভারত কোনো পক্ষ না হয়েও সাধারণ নাগরিক এবং নাবিকদের জীবন রক্ষাকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। নিরাপত্তা পরিষদে পাস হওয়া এই নিন্দা প্রস্তাব মূলত সেইসব অপশক্তির বিরুদ্ধে একটি কড়া বার্তা, যারা অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ড্রোন ব্যবহার করে নিরপরাধ মানুষের জীবন বিপন্ন করছে এবং বৈশ্বিক সরবরাহ চেইনকে তছনছ করে দিচ্ছে। ভারত বিশ্বাস করে যে, যেকোনো দেশের সার্বভৌমত্ব বজায় রেখে এবং কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যের এই দীর্ঘমেয়াদী সংকটের সমাধান করা সম্ভব, কিন্তু বেসামরিক জাহাজের ওপর কোনো প্রকার সহিংসতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
এই প্রস্তাবের সমর্থনে ভারতের অবস্থান বিশ্ব রাজনীতিতে তার কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের পরিচয় দেয়। একদিকে ভারত যেমন মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী, অন্যদিকে বিশ্ব বাণিজ্যের প্রধান রুটগুলোকে নিরাপদ রাখতেও বদ্ধপরিকর। ভারতের এই সমর্থনের ফলে আন্তর্জাতিক মহলে এই বার্তা পৌঁছেছে যে, সমুদ্রপথে সন্ত্রাসবাদ রুখতে নয়াদিল্লি যেকোনো শক্তিশালী পদক্ষেপের পাশে থাকবে। ভারতের প্রতিনিধি আরও যোগ করেন যে, এই ড্রোন হামলার পেছনে থাকা উস্কানিদাতা এবং মূল হোতাদের চিহ্নিত করা এখন সময়ের দাবি। বর্তমানে ভারতীয় নৌবাহিনী ওই অঞ্চলের জলসীমায় কড়া নজরদারি চালাচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বন্ধুপ্রতীম দেশগুলোর সঙ্গে তথ্য আদান-প্রদান করছে। এই প্রস্তাব পাসের মাধ্যমে ভারত আশা করছে যে, আগামী দিনে আন্তর্জাতিক জলপথগুলোতে শান্তি ফিরে আসবে এবং বাণিজ্যিক জাহাজগুলো কোনো প্রকার আতঙ্ক ছাড়াই চলাচল করতে পারবে।
পরিশেষে, মধ্যপ্রাচ্য সংকট নিরসনে ভারতের এই সক্রিয় ভূমিকা কেবল একটি দেশের পররাষ্ট্রনীতি নয়, বরং এটি বিশ্ব শান্তির প্রতি ভারতের দীর্ঘকালীন অঙ্গীকারের প্রতিফলন। ভারত মনে করে যে, লোহিত সাগর বা পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান অস্থিরতা যদি দ্রুত নিয়ন্ত্রণ করা না যায়, তবে এর নেতিবাচক প্রভাব এশিয়ার প্রতিটি ঘরে ঘরে পড়বে। তাই নিরাপত্তা পরিষদের এই নিন্দা প্রস্তাবকে ভারত একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে এবং আশা করছে যে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো অবিলম্বে সহিংসতা থেকে বিরত থাকবে। বিশ্ববাসী এখন ভারতের এই দৃঢ় অবস্থানের দিকে তাকিয়ে আছে, যাতে করে একটি নিরাপদ এবং স্থিতিশীল বিশ্বব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হয়।
মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা এবং আন্তর্জাতিক জলসীমায় বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর ক্রমাগত আক্রমণের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে (UNSC) পেশ করা নিন্দা প্রস্তাবের পক্ষে সমর্থন জানালো ভারত। গত কয়েক মাস ধরে ওমান উপসাগর, লোহিত সাগর এবং আরব সাগরের বিস্তীর্ণ এলাকায় ড্রোনের মাধ্যমে যেভাবে একের পর এক তেলের ট্যাংকার ও বাণিজ্যিক জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে, তার কঠোর সমালোচনা করেছে নয়াদিল্লি। ভারতের প্রতিনিধি নিরাপত্তা পরিষদের অধিবেশনে স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন যে, আন্তর্জাতিক নৌ-চলাচলের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করা কেবল আঞ্চলিক অস্থিরতা নয়, বরং এটি বিশ্ব অর্থনীতির ওপর সরাসরি আঘাত। বিশেষ করে সম্প্রতি ভারতীয় পতাকাবাহী এবং ভারতমুখী কয়েকটি জাহাজে ড্রোন হামলার ঘটনায় দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা এবং জ্বালানি নিরাপত্তার ওপর বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে ভারত বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়ে এই ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সম্মিলিত পদক্ষেপের ডাক দিয়েছে।
জাতিসংঘে ভারতের পক্ষ থেকে দেওয়া বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ভারত বরাবরই আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন (UNCLOS) মেনে চলা এবং সমুদ্রপথে অবাধ ও নিরাপদ যাতায়াতের পক্ষে কাজ করে আসছে। লোহিত সাগর থেকে শুরু করে হরমুজ প্রণালী পর্যন্ত যে অস্থিরতা চলছে, তাতে ভারত কোনো পক্ষ না হয়েও সাধারণ নাগরিক এবং নাবিকদের জীবন রক্ষাকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। নিরাপত্তা পরিষদে পাস হওয়া এই নিন্দা প্রস্তাব মূলত সেইসব অপশক্তির বিরুদ্ধে একটি কড়া বার্তা, যারা অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ড্রোন ব্যবহার করে নিরপরাধ মানুষের জীবন বিপন্ন করছে এবং বৈশ্বিক সরবরাহ চেইনকে তছনছ করে দিচ্ছে। ভারত বিশ্বাস করে যে, যেকোনো দেশের সার্বভৌমত্ব বজায় রেখে এবং কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যের এই দীর্ঘমেয়াদী সংকটের সমাধান করা সম্ভব, কিন্তু বেসামরিক জাহাজের ওপর কোনো প্রকার সহিংসতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
এই প্রস্তাবের সমর্থনে ভারতের অবস্থান বিশ্ব রাজনীতিতে তার কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের পরিচয় দেয়। একদিকে ভারত যেমন মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী, অন্যদিকে বিশ্ব বাণিজ্যের প্রধান রুটগুলোকে নিরাপদ রাখতেও বদ্ধপরিকর। ভারতের এই সমর্থনের ফলে আন্তর্জাতিক মহলে এই বার্তা পৌঁছেছে যে, সমুদ্রপথে সন্ত্রাসবাদ রুখতে নয়াদিল্লি যেকোনো শক্তিশালী পদক্ষেপের পাশে থাকবে। ভারতের প্রতিনিধি আরও যোগ করেন যে, এই ড্রোন হামলার পেছনে থাকা উস্কানিদাতা এবং মূল হোতাদের চিহ্নিত করা এখন সময়ের দাবি। বর্তমানে ভারতীয় নৌবাহিনী ওই অঞ্চলের জলসীমায় কড়া নজরদারি চালাচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বন্ধুপ্রতীম দেশগুলোর সঙ্গে তথ্য আদান-প্রদান করছে। এই প্রস্তাব পাসের মাধ্যমে ভারত আশা করছে যে, আগামী দিনে আন্তর্জাতিক জলপথগুলোতে শান্তি ফিরে আসবে এবং বাণিজ্যিক জাহাজগুলো কোনো প্রকার আতঙ্ক ছাড়াই চলাচল করতে পারবে।
পরিশেষে, মধ্যপ্রাচ্য সংকট নিরসনে ভারতের এই সক্রিয় ভূমিকা কেবল একটি দেশের পররাষ্ট্রনীতি নয়, বরং এটি বিশ্ব শান্তির প্রতি ভারতের দীর্ঘকালীন অঙ্গীকারের প্রতিফলন। ভারত মনে করে যে, লোহিত সাগর বা পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান অস্থিরতা যদি দ্রুত নিয়ন্ত্রণ করা না যায়, তবে এর নেতিবাচক প্রভাব এশিয়ার প্রতিটি ঘরে ঘরে পড়বে। তাই নিরাপত্তা পরিষদের এই নিন্দা প্রস্তাবকে ভারত একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে এবং আশা করছে যে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো অবিলম্বে সহিংসতা থেকে বিরত থাকবে। বিশ্ববাসী এখন ভারতের এই দৃঢ় অবস্থানের দিকে তাকিয়ে আছে, যাতে করে একটি নিরাপদ এবং স্থিতিশীল বিশ্বব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হয়।
