এক বছরের দীর্ঘ পলাতক জীবন শেষে শেষ পর্যন্ত গ্রেপ্তার হলেন জয়গাঁও ডেভেলপমেন্ট অথরিটির (JDA) সাব অ্যাসিস্টেন্ট ইঞ্জিনিয়ার পার্থসারথি দাস। তাঁর বিরুদ্ধে ৩৫ লক্ষ টাকার আর্থিক দুর্নীতি এবং গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ফাইল লোপাটের গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, পার্থসারথি তাঁর স্ত্রীকে ঠিকাদার সাজিয়ে ৩৫ লক্ষ টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ না করিয়েই অর্থ আত্মসাৎ করেন। একই সঙ্গে, দুর্নীতির প্রমাণ গোপন করার উদ্দেশ্যে ২৮টি গুরুত্বপূর্ণ ফাইল লোপাট করার অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
এই কেলেঙ্কারি প্রকাশ্যে আসার পরই JDA চেয়ারম্যান গঙ্গাপ্রসাদ শর্মার নির্দেশে পার্থসারথিকে বরখাস্ত করা হয় এবং তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। গ্রেপ্তারি এড়াতে তিনি হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টে আগাম জামিনের আবেদন জানান, কিন্তু উভয় আদালতই তাঁর আবেদন খারিজ করে দেয়। এরপর আর কোনো উপায় না পেয়ে বুধবার রাতে তিনি জয়গাঁও থানায় আত্মসমর্পণ করেন।
জেডিএ চেয়ারম্যান এই গ্রেপ্তারকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে তাঁদের কঠোর অবস্থানের প্রমাণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। অন্যদিকে, জেলা পুলিশ সুপার ওয়াই রঘুবমশী নিশ্চিত করেছেন যে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতেই ওই ইঞ্জিনিয়ারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার আদালতে হাজির করানো হলে বিচারক তাকে সাত দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন।
