ডুয়ার্সের জঙ্গল এলাকা দিয়ে যাওয়া রেললাইনে হাতি করিডারে এই প্রযুক্তির ব্যবহার করা হচ্ছে। সেবমের গুলমা থেকে আলিপুরদুয়ার পর্যন্ত অংশে ইনট্রুশন ডিটেকশন সিস্টেম প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু হয়েছে।সাময়িকভাবে বিভিন্ন জায়গায় চলছে ট্রায়াল পদ্ধতি। হাসিমারা, বিন্নাগুড়ি, সেবক, গুলমা, চালসা, মালবাজার, গোরুমারা, লাটাগুড়ি স্টেশনজুড়ে হাতি করিডর আছে। মাঝেমধ্যেই এই এলাকাগুলোতে রেল লাইনের উপর চলে আসে হাতি।
অনেক সময় রেললাইনে উঠে পড়াই হাতির মৃত্যু ঘটেছে। আবার অনেক সময় চালকের তৎপরতায় রক্ষা পেয়েছে প্রাণ। আর যাতে হাতি মৃত্যু না ঘটে সেজন্য এই এলাকাগুলোতে চলছে বিশেষ প্রযুক্তির ব্যবহার। জানা গিয়েছে, রেলপথে হাতিদের আনাগোনা হলেই ওই ফাইবারের তরঙ্গে অ্যালার্ট পৌঁছে যাবে সংলগ্ন গেটম্যান, স্টেশন মাস্টার, লোকোপাইলট ও গার্ডের কাছে। শুধু তাই নয়, ওই প্রযুক্তি রেলপথে নাশকতা, ফাটল, ভূমিধস এবং বর্ষায় রেলপথ ডুবে যাওয়ার অ্যালার্ট দিয়ে দুর্ঘটনা এড়াতে সাহায্য করবে বলে দাবি করেছেন রেলের কর্তারা।
রেলের সিগনাল ও অন্য খবর আদানপ্রদানের জন্য ইতিমধ্যেই দেশ জুড়ে রেললাইন বরাবর অপটিক্যাল ফাইবার পাতা হয়েছে। উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের জেনারেল ম্যানেজার চেতন শ্রীবাস্তব বলেন,উত্তর- পুর্ব সীমান্ত রেল বিভিন্ন ভাবেই প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে বন্যপ্রাণীদের সঙ্গে সংঘর্ষ রোখার চেষ্টা চলছে। যাতে রেল চলাচল করতে বাধা না আসে সেটাও দেখা হচ্ছে আবার বন্যপ্রাণ সুরক্ষিত রাখাও আমাদের কাজ।