তৃতীয়বার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হয়ে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই একাধিক প্রকল্প ঘোষণা করেছে মমতা সরকার। রাজ্যের সাধারণ মানুষের কথা ভেবেই এই প্রকল্পগুলো ঘোষিত হয়েছে। যার মধ্যে অন্যতম লক্ষ্মীর ভান্ডার। রাজ্যের ২৫ থেকে ৬০ বছর বসয়ী মহিলারা পান লক্ষ্মীর ভাণ্ডার। ৬০ বছর বয়স হলে ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ প্রাপকরা বার্ধক্য ভাতার সুবিধা পেতে শুরু করেন।
২০২৩ সাল থেকে শুরু হওয়া এই প্রক্রিয়ায় রাজ্যের প্রায় ৬ লক্ষ ৮২ হাজার ৮৯৫ জন উপভোক্তা সরাসরি বার্ধক্য ভাতার অন্তর্ভুক্ত হয়েছে বলে বিধানসভায় জানালেন রাজ্যের নারী, শিশু ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রী শশী পাঁজা। শশী পাঁজা বলেন, এখনও পর্যন্ত ৬ লক্ষ ৮২ হাজারেরও বেশি উপভোক্তা স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়ার সুবিধা পেয়েছেন।
লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের বয়স পেরোনোর সঙ্গে সঙ্গেই এইসব উপভোক্তার নাম বার্ধক্য ভাতা, তফশিলি বন্ধু অথবা জয় জোহার প্রকল্পে উঠে গিয়েছে। মন্ত্রী বলেন, বার্ধক্য ভাতার তালিকাভুক্ত হয়েছেন ৬ লক্ষ ৩৪ হাজার ৮৩৭ জন। তফশিলি বন্ধুতে ৪১ হাজার ৮৯২ জন, আর ৬,১৬৬ জন তালিকাভুক্ত হয়েছেন জয় জোহার প্রকল্পে।
