ভারতের স্বদেশী ই-কমার্স মার্কেটপ্লেস, ফ্লিপকার্ট ত্রিপুরার আগরতলায় তার প্রথম গ্রসারি ফুলফিলমেন্ট সেন্টার(FC) চালু করেছে, যা উত্তর-পূর্বে দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্য গ্রসারি সরবরাহের প্রতিশ্রুতিকে আরও জোরদার করবে। রাজ্যে ফ্লিপকার্টের প্রথম গ্রসারি স্টোর আগরতলা এবং আশেপাশের এলাকায় গ্রাহকদের পছন্দ অনুযায়ী ডেলিভারি স্লট প্রদানের মাধ্যমে অনলাইন গ্রসারির ক্রমবর্ধমান চাহিদাকে সমর্থন করবে। গভীর ভোক্তা অন্তর্দৃষ্টির উপর ভিত্তি করে তৈরি এই সুবিধাটি আটা, চাল এবং ডালের মতো প্রধান পণ্যের পাশাপাশি ৪০০০ টিরও বেশি পণ্যের একটি কিউরেটেড রেঞ্জ অফার করবে, যার মধ্যে থাকছে স্ন্যাকস, পানীয়, ব্যক্তিগত যত্ন এবং গৃহস্থালীর প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র। ত্রিপুরা জুড়ে গ্রাহকদের বৈচিত্র্যপূর্ণ পছন্দ পূরণের জন্য এই ভাণ্ডারে স্থানীয়ভাবে জনপ্রিয় বেশ কয়েকটি ব্র্যান্ড অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
ই-গ্রসারি পরিষেবার ক্রমবর্ধমান চাহিদার সঙ্গে ত্রিপুরা উত্তর-পূর্বে ডিজিটাল রিটেইল বিক্রয়ের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে। এর ক্রমবর্ধমান ভোক্তা ল্যান্ডস্কেপ এবং ডিজিটাল পদচিহ্নের সম্প্রসারণের সঙ্গে, রাজ্যটি ফ্লিপকার্টের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধির সুযোগ নিয়ে আসে। ত্রিপুরার ই-কমার্স পরিকাঠামোতে বিনিয়োগের মাধ্যমে, ফ্লিপকার্ট ডিজিটাল বৈষম্য দূর করতে, মেট্রোর বাইরে মূল্য-সচেতন গ্রাহকদের পরিষেবা দিতে এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক আঞ্চলিক উন্নয়নকে সমর্থন করার লক্ষ্য রাখে। ৩৫০০০ বর্গফুটেরও বেশি স্থানে বিস্তৃত; নতুন সুবিধাটি ত্রিপুরার পাশাপাশি মণিপুর, মেঘালয়, মিজোরাম এবং নাগাল্যান্ড জুড়ে প্রতিদিন ৫০০০ টিরও বেশি অর্ডার ডেলিভারি করার ক্ষমতা রাখে। এই এফসি ২০০ টিরও বেশি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থানের সুযোগ প্রদান করবে এবং ক্ষুদ্র ব্যবসা, এমএসএমই এবং স্থানীয় কৃষকদের জন্য বাজারের অ্যাক্সেস আনলক করবে। এই উদ্বোধনটি উত্তর-পূর্বে পরিষেবার মান বৃদ্ধির এবং অর্থনৈতিক অংশগ্রহণের মাধ্যমে স্থানীয় বাস্তুতন্ত্রকে শক্তিশালী করার ফ্লিপকার্টের বৃহত্তর কৌশলের অংশ।
ত্রিপুরার মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক (ড.) মানিক সাহা বলেছেন, “ত্রিপুরার আগরতলায় ফ্লিপকার্টের নতুন গ্রসারি ফুলফিলমেন্ট সেন্টার প্রতিষ্ঠার জন্য আমি আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি। এই উন্নয়ন রাজ্যের ডিজিটাল পরিকাঠামো বৃদ্ধি এবং আমাদের সরবরাহ শৃঙ্খলের ক্ষমতাকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। আমি নিশ্চিত যে এই উদ্যোগ স্থানীয় কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দক্ষতা উন্নয়নে অর্থপূর্ণ অবদান রাখবে, আমাদের যুবক এবং সম্প্রদায়ের ক্ষমতায়ন করবে। ত্রিপুরা একটি প্রগতিশীল এবং ডিজিটালভাবে সংযুক্ত বাস্তুতন্ত্র গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, এবং আমরা এই লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বিনিয়োগকে স্বাগত জানাই। ত্রিপুরার বৃদ্ধি এবং সাফল্যের জন্য ফ্লিপকার্টের উদ্যোগীদের শুভেচ্ছা।”
