আহমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনায় আহত আট মাসের ধ্যানশের চিকিৎসা চলছে হাসপাতালে; সবচেয়ে কনিষ্ঠ আহত সদস্য

গত বৃহস্পতিবার ১টা ৩৯ মিনিটে আহমেদাবাদের সর্দার বল্লভভাই পটেল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ওড়ে এয়ার ইন্ডিয়ার এআই-১৭১ বিমানটি। রানওয়ে ২৩ থেকে ওড়ার এক মিনিটেরও কম সময়ের মধ্যে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এটিসি-র সঙ্গে। ভেঙে পড়ার আগে বিমানটি মাটি থেকে ৬২৫ ফুট উচ্চতায় ছিল। সেটি দ্রুতগতিতে নীচের দিকে নামতে শুরু করে। তার পরই ২৪২ জন যাত্রীকে নিয়ে ভেঙে পড়ে আহমেদাবাদের বিমানবন্দর থেকে ঢিলছোড়া দূরত্বে বিজে মেডিক্যাল কলেজের হস্টেলে। জানা গিয়েছে, হস্টেলের মেস-এ, যেখানে আবাসিকেরা খাবার খান, সেখানে বিমানটি ভেঙে পড়ে। ঘটনাস্থল থেকে যে ছবি পাওয়া গিয়েছে, তাতে দেখা গিয়েছে, অনেকেই সে সময়ে খাচ্ছিলেন। বহু বেঞ্চ ভেঙে পড়ে, ছড়িয়েছিটিয়ে খাবার। ভেঙে গিয়েছে মেস-এর দেওয়াল।

অভিশপ্ত বিমানটি যখন মেডিক্যাল কলেজের হস্টেলে আছড়ে পড়ে, তখন সেখানেই ছিলেন মনীষা কচ্ছাড়িয়া ও তাঁর আট মাসের ছেলে! একরত্তি ধ্যানশই এই মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনায় আহতদের মধ্যে সবচেয়ে ছোট। শরীরের ২৮% অংশ দগ্ধ, আহমেদাবাদের সিভিল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, ভর্তি রয়েছে পেডিয়াট্রিক ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (PICU)-তে ভর্তি। ধ্যানশের বাবা কপিল কচ্ছাড়িয়া জানান, ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছে শিশুর। তবে এখনও পর্যবেক্ষণের জন্য PICU-তেই রাখা হবে। কপিলের ভাষায়, ”ও এখন একটু একটু করে সুস্থ হচ্ছে। এখনও PICU-তেই আছে, তবে এক-দু’দিনের মধ্যে সাধারণ ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হতে পারে।”

বাবা কপিল কচ্ছাড়িয়া জানান, দুর্ঘটনায় স্ত্রী মনীষাও গুরুতর আহত হন। কিন্তু সেই অবস্থাতেই দ্রুত ধ্যানশকে কোলে তুলে ঘটনাস্থল থেকে ছুটে বেরিয়ে আসেন। আপাতত মনীষার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল, এবং আহমেদাবাদ সিভিল হাসপাতালের সাধারণ ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন।