সাফল্যের সঙ্গে হাওড়ায় দুই বছর পূর্তি বিড়লা ফার্টিলিটির

হাওড়া ও তার আশেপাশে অঞ্চলের দম্পতিদের বিশ্বস্ত এবং উন্নত মানের চিকিৎসা পরিষেবা প্রদানের দুই বছর পূর্ণ করল বিড়লা ফার্টিলিটি অ্যান্ড আইভিএফ-এর হাওড়া কেন্দ্র। সিকে বিড়লা গ্রুপের এই প্রতিষ্ঠানটি গত দুই বছর ধরে স্বচ্ছ কাউন্সিলিং এবং পার্সোনালাইজড চিকিৎসা পরিকল্পনার মাধ্যমে অসংখ্য দম্পতিকে মাতৃত্বের স্বাদ পেতে সাহায্য করে আসছে। হাওড়া ছাড়াও কলকাতায় এই গ্রুপের আরও দুটি কেন্দ্র বর্তমানে সফলভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে।

বর্তমানে কেরিয়ার ও আর্থিক স্থিতিশীলতার কারণে দেরিতে বিয়ে বা সন্তান নেওয়ার প্রবণতা বাড়ছে। ফলে চল্লিশোর্ধ্ব বয়সে দম্পতিরা যখন চিকিৎসার জন্য আসছেন, তখন ডিম্বাণুর স্বল্পতা বা নিম্নমানের মতো জৈবিক চ্যালেঞ্জ দেখা দিচ্ছে। হাওড়া কেন্দ্রের সেন্টার হেড ডা. সোনালী মণ্ডল বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “বয়স একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হলেও আধুনিক প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারে সাফল্য সম্ভব। আমরা প্রতিটি রোগীর শারীরিক অবস্থা বুঝে নির্দিষ্ট প্রোটোকল অনুসরণ করি।” সম্প্রতি এই কেন্দ্রে ৪৮ এবং ৫৩ বছর বয়সী এক দম্পতি অত্যন্ত কম এএমএইচ (০.০১) লেভেল নিয়ে এসেও সঠিক ‘ডোনার আইভিএফ’ প্রোগ্রাম এবং নিবিড় তত্ত্বাবধানের মাধ্যমে সুস্থ গর্ভাবস্থা লাভ করেছেন।

হাওড়া কেন্দ্রটি শিবপুর, সালকিয়া, বেলুড়, লিলুয়া এবং সাঁতরাগাছির মতো পার্শ্ববর্তী এলাকার রোগীদের আইইউআই, আইভিএফ, আইসিএসআই, ডিম্বাণু ফ্রিজিং এবং এন্ডোমেট্রিওসিসের মতো জটিল সমস্যার সমাধান দিয়ে থাকে। চিকিৎসার পাশাপাশি কেন্দ্রটি আর্থিক স্বচ্ছতাকেও অগ্রাধিকার দেয়। সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে এখানে মাল্টি-সাইকেল প্রোগ্রাম এবং ০% ইএমআই সুবিধা রাখা হয়েছে, যাতে অর্থের অভাবে চিকিৎসা থমকে না যায়। দুই বছরের এই মাইলফলকটি মূলত স্বচ্ছতা, ক্লিনিক্যাল মান এবং রোগী-কেন্দ্রিক সেবার প্রতি বিড়লা ফার্টিলিটির অঙ্গীকারকেই তুলে ধরে।