আকাসা এয়ারের তিন সফল বছরের কার্যক্রম উদযাপন

ভারতের সবচেয়ে দ্রুত গতিতে বৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যাওয়া বিমান পরিবহন সংস্থা আকাসা এয়ার আজ তাদের বিমান পরিবহন পরিষেবার তিন বছরের সফলতা উদযাপন করছে। যাত্রা শুরুর সময় থেকেই তারা যে-গতিতে বৃদ্ধির দিকে এগিয়ে গেছে তা ঐতিহাসিক, সেই গতিই তাদের সফরকে আলোকিত করে তুলেছে। তাদের সংস্থার পক্ষ থেকে প্রথম বিমান চালানো হয়েছিল ৭ অগস্ট ২০২২ তারিখে মুম্বই ও আহমেদাবাদের মধ্যে। সেই থেকে আকাসা ভারতীয় বিমান পরিবহন ক্ষেত্রে বেশ শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। তারা বিশ্বস্ততা, সহমর্মিতা, ও উত্কৃষ্ট পরিষেবায় নতুন মানদণ্ড স্থাপন করে ভারতে বিমান সফরকে নতুন ভাবে গড়ে তোলার এক সাহসী উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল।  

মাত্র ৩৬ মাসে আকাসা এয়ার ১ কোটি ৯০ লক্ষের বেশি যাত্রীদের কাছে পরিষেবা পৌঁছে দিয়েছে। এর মধ্যে আবার গত ১২ মাসে তাদের যাত্রীর সংখ্যা খুব উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়ে হয়েছে ৮০ লক্ষ। এর পরেও তারা এই বৃদ্ধিকে ৮৭ শতাংশের উপর নিয়ে গিয়ে এই শিল্পক্ষেত্রে প্রথম সারিতে পৌঁছেছে। এর থেকেই বোঝা যাচ্ছে যে, ভারতের ও বিদেশের যাত্রীরা তাদের উপর আরও বেশি করে ভরসা রাখছে।   

এই সাফল্য সম্পর্কে আকাসা এয়ারের প্রতিষ্ঠাতা তথা সিইও বিনয় দুবে বললেন: “আকাসা-র জন্ম এই বিশ্বাস থেকে যে বিরাট মাপের বিমান পরিবহন সংস্থা গড়ে তোলার জন্য শুধু উচ্চাকাঙ্ক্ষা থাকলে হয় না। এর সঙ্গে চাই নিয়ম-শৃঙ্খলা, মহান উদ্দেশ্য, ও আন্তরিকতা। মাত্র তিন বছরেই আমরা প্রমাণ করে দিয়েছি যে আমরা যে ভাবে সংস্থা চালাচ্ছি সেই ভাবে কাজ করেও দ্রুত গতিতে উন্নতি করা যায়, ধারাবাহিকতা বজায় রাখা যায়, এবং গভীর ভাবে মানবিক হয়ে থাকা যায়। আমরা শুধু দ্রুতি গতিতে উন্নতিই করছি না, আমরা ঠিক ভাবেও উন্নতি করছি। এর প্রমাণ হল এই যে আমরা কিছু-কিছু জিনিসের প্রতি দায়বদ্ধ থাকছি। যেমন বিশ্বমানের সুরক্ষা ব্যবস্থা, আমাদের লোকজনের জন্য বেশ ভাল ভাবে বিনিয়োগ, ও আমাদের গ্রাহকদের ভাল অভিজ্ঞতা দেওয়ার জন্য আমরা প্রত্যেকটি দিকের উপর পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে কাজ করে চলেছি প্রবল আবেগ নিয়ে। এতদিনে আমরা ১ কোটি ৯০ লক্ষের বেশি যাত্রীদের নিয়ে বিমান চালিয়েছি, আমাদের কর্মী সংখ্যা ৪৭০০-এর বেশি, এবং বিমান পরিবহন ব্যবস্থা পরিচালনার ক্ষেত্রে আমরা ধারাবাহিক ভাবে রেকর্ড বজায় রাখছি। এবার আকাসা বিশ্বের বিমান পরিবহন ক্ষেত্রে আগামী বেশ কয়েকটি প্রজন্মের প্রতিষ্ঠান হয়ে উঠতে চলেছে, এর পাশাপাশি এই সংস্থা তাদের দীর্ঘমেয়াদি স্বপ্নের নোঙরকেও খুব মজবুত ভাবে ধরে রেখেছে। তাদের স্বপ্ন হল এই দশক শেষ হতে হতে সারা বিশ্বের প্রথম ৩০টি বিমান পরিবহন সংস্থার মধ্যে নিজের জায়গা করে নেওয়া।”